Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত!


বিসিএসআইআর করোনাভাইরাসের ৫টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে, তাতে পাওয়া মিউটেশনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের মিল রয়েছে


ব্রিটেনে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের সঙ্গে মিল আছে এমন জিনোমের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে বাংলাদেশেও। এতথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান এবং শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) জিনোমিক গবেষণাগার ল্যাব।


এনিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বিসিএসআইআর। ভাইরাসটি বহনকারীদের পরিচয় এবং ঠিকানা জানার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলেও ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন রেফারেল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিসিএসআইআর।


বিসিএসআইআর জানায়, গত নভেম্বরের শুরুতে বিসিএসআইআর করোনাভাইরাসের পাঁচটি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে। তাতে পাওয়া মিউটেশনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসের মিল রয়েছে।


এবিষয়ে বিসিএসআইআর এর জীবতাত্ত্বিক গবেষণা বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিম খান গণমাধ্যমকে বলেন, “নভেম্বরের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের মিউটেশন পাওয়া গিয়েছিল। পাঁচটি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার সময় নতুন এই মিউটেশন আমাদের নজরে আসে। আন্তর্জাতিকভাবে যেখানে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের তথ্য জমা দেওয়া হয়, সেখানে দেখেছি যে রাশিয়া ও পেরুতে এর আগে একই ধরনের মিউটেশন দেখা গিয়েছে। তবে ওই দেশ দু’টিতে শুধু একজন করে ব্যক্তির নমুনায় এই মিউটেশন পরিলক্ষিত হয়।”


তিনি বলেন, “ইংল্যান্ডে আমাদের অনেক পরে গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে এধরনের মিউটেশন ধরা পড়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রাপ্ত নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসে একটি মিউটেশন ঘটেছে স্পাইক প্রোটিনে, যাকে বলা হচ্ছে পি-৬৮১ এইচ মিউটেশন। বাংলাদেশে প্রাপ্ত মিউটেশনটি হলো পি-৬৮১-আর।”


সেলিম খান আরো জানান, যুক্তরাজ্যের আর বাংলাদেশের মিউটেশনের পজিশন এক। সেটাই শঙ্কার বিষয়। এজন্য এখন আমাদের জিনোম সিকোয়েন্সিয়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্য আরও মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যে বিষয়টি আরও পরিস্কার হবে বলেও তিনি আশা করেন।


সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্তের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপজুড়ে। নতুন ধরনের এই কোভিড ভাইরাস (VUI 202012/01) ক্ষণেক্ষণে রূপ বদল করতে পারে, জন্ম দিতে পারে নতুন ভাইরাসের। এছাড়া নতুন ধরনের এই ভাইরাস ৭০% সংক্রামক।


এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অবশ্য নতুন ভাইরাস নিয়ে শঙ্কিত না হয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। [খবর; dhakatribune.com]

Post a Comment

0 Comments